Zero Return আমাদের দেশে অনেকেরই ধারণা— বার্ষিক আয় যদি করযোগ্য সীমার নিচে থাকে, তবে টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট থাকা সত্ত্বেও কোনো রিটার্ন জমা দিতে হয় না। এই ভুল ধারণার কারণে পরবর্তীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) থেকে অপ্রয়োজনীয় নোটিশ বা জরিমানের মুখোমুখি হতে হয়।
আপনার যদি করযোগ্য আয় না-ও থাকে, তাহলেও আইন অনুযায়ী ফাইল সচল রাখতে ‘জিরো রিটার্ন’ বা শূন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল করা কেন জরুরি, নিচে তা সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো:
১. আইনি বাধ্যবাধকতা ও পেনাল্টি এড়ানো
আয়কর আইন অনুযায়ী, আপনার যদি সচল TIN সার্টিফিকেট থাকে এবং আপনি সরকারি ৪০টিরও বেশি নির্দিষ্ট সেবা গ্রহণকারী হন, তবে আপনার জন্য রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। সঠিক সময়ে জিরো রিটার্ন জমা না দিলে আপনার ফাইলটি অকার্যকর হতে পারে এবং পরবর্তীতে বিলম্ব জরিমানা যুক্ত হতে পারে।
২. পিএসআর (PSR) সার্টিফিকেট সংগ্রহ
ব্যাংক ঋণ, ক্রেডিট কার্ড ইস্যু, সঞ্চয়পত্র ক্রয়, জমি রেজিস্ট্রি, কিংবা ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য Proof of Submission of Return (PSR) বা রিটার্ন দাখিলের রশিদ প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক। জিরো রিটার্ন দাখিল করেও আপনি খুব সহজেই এই পিএসআর স্লিপ সংগ্রহ করতে পারবেন।
৩. ব্যাংকিং ও আমানতে অতিরিক্ত কর কাটার হাত থেকে রক্ষা
আপনার ব্যাংক ডিপোজিট বা সঞ্চয়পত্রের লভ্যাংশের ওপর উৎস কর (TDS) ১৫% থেকে কমিয়ে ১০% রাখার জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র চায়। জিরো রিটার্ন দাখিল করলেও আপনি এই ৫% অতিরিক্ত ট্যাক্স কাটার হাত থেকে বেঁচে যাবেন।
৪. ভবিষ্যতের অর্জিত সম্পদের স্বচ্ছ হিসাব
বর্তমানে হয়তো আপনার করযোগ্য আয় নেই, কিন্তু ভবিষ্যতে যখন আয় বৃদ্ধি পাবে বা কোনো সম্পত্তি আপনার নামে যুক্ত হবে, তখন পূর্বের বছরগুলোতে জিরো রিটার্ন জমা দেওয়া থাকলে আয়ের ধারাবাহিকতা ও স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
আপনার জিরো রিটার্ন ফাইল নিখুঁতভাবে দাখিল করতে আমাদের সাহায্য নিন
জিরো রিটার্ন দেখতে সহজ মনে হলেও তথ্যের সামান্য ভুল বা ভুল সেকশনে রিটার্ন দাখিল করলে ফাইলটি পরবর্তীতে অডিটের সম্মুখীন হতে পারে।
KAMAL & ASSOCIATES আপনার আয়কর ফাইল সঠিক আইনি নিয়মে ও নির্ভুল তথ্যসহ প্রসেস করে নিরাপদ রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের সঙ্গে যোগযোগের ঠিকানা:
রূপালী প্লাজা (তৃতীয় তলা), রূপালী চত্বর, বসুরহাট ৩৮৫০, কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী।
মোবাইল : 01811-845230, 01538-393035

Leave a Reply